শত শত বছরের পুরানো পুঠিয়া রাজবাড়ী ও মন্দির রাজশাহী সপ্তদশ শতকে মোগল আমলে তৎকালীন বাংলার বিভিন্ন রাজ্যের মধ্যে পুঠিয়া জমিদারি ছিল প্রাচীনতম। কথিত যে জনৈক নীলাম্বর মোগল সম্রাট জাহাঙ্গীরের (১৬০৫—২৭ খ্রি.) কাছ থেকে ‘রাজা’ উপাধি লাভ করার পর সেটি পুঠিয়া রাজবাড়ীরূপে পরিচিতি লাভ করে। ১৭৪৪ সালে জমিদারি ভাগ হয়। সেই ভাগাভাগিতে জমিদারের বড় ছেলে পান সম্পত্তির সাড়ে পাঁচ আনা এবং অন্য তিন ছেলে পান সাড়ে তিন আনা। ১৯৫০[তথ্যসূত্র প্রয়োজন] সাল পর্যন্ত জমিদারি প্রথা ছিল। প্রথা বিলুপ্ত হলে পুঠিয়া রাজবাড়ীর জমিদারিও বিলুপ্ত হয়। কিন্তু জমিদারি বিলুপ্ত হলেও সে আমলে নির্মিত তাঁদের প্রাসাদ, মন্দির ও অন্যান্য স্থাপনা ঠিকই এখনো টিকে রয়েছে। অপরূপ এ প্রাসাদটি ১৮৯৫ সালে মহারানী হেমন্ত কুমারী দেবী তাঁর শাশুড়ি মহারানী শরৎ সুন্দরী দেবীর সম্মানে নির্মাণ করেন , আমাদের এই চ্যানেলের ভিডিও গুলি আমরা নিজেরাই করে থাকি,আর একটি ভিডিও কালেকশন করতে আমাদের অনেক পরিশ্যম হয়,আপনাদের ভালো লগার জন্য আমরা কাজ করে থাকি, সবাই আমাদের চ্যানেলের ভিডিও গুলো দেখবেন, আমাদের ভিডিও গুলো কেমন হোল তা অবশ্যয় যানাবেন,কমেন্টের মাধ্যমে, ভালো লাগলে লাইক এবং শেয়ার করবেন, চ্যানেলের ভিডিওগুলী দেখার মতো হলে অবশ্যয় সাবক্রাইব করবেন আমাদের চ্যানেল ,আমাদের চ্যানেলের ভিডিওটি দেখার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ, পরিচালনায় ( মোঃ আমিরুর রাশেদীন )
No Comments